নির্বাচনী মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, থাকছে ৯ লাখ সদস্য

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৪৫:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৫২ Time View

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারাদেশে আজ থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনীকে ধাপে ধাপে মোতায়েন করা হচ্ছে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে নেমেছেন। একই সঙ্গে ইতোমধ্যে দায়িত্ব গ্রহণ করছেন ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। নির্বাচনের আগের দিন ১১ ফেব্রুয়ারি সকালে সারাদেশে প্রায় ১ লাখ ৫৭ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক পরিপত্রে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও ভিডিপি এবং কোস্টগার্ড মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন বাহিনীর মোট প্রায় ৯ লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকছেন। এর মধ্যে আনসার ও ভিডিপির প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ সদস্য ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া পুলিশের প্রায় দেড় লাখ, সশস্ত্র বাহিনীর এক লাখ এবং বিজিবির প্রায় ৩৫ হাজার সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

নির্বাচনকালীন শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সেনাবাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র‍্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করছে। জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছে বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন। উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে কোস্টগার্ড।

সূত্র জানায়, মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬–১৭ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭–১৮ জন পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। মেট্রোপলিটন এলাকায় সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত ২৫ জেলার নির্দিষ্ট ভোটকেন্দ্রগুলোতে ১৬–১৮ জন করে সদস্য নিয়োজিত থাকছেন। এসব সদস্য ভোটগ্রহণের দুই দিন আগে থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত দায়িত্বে থাকছেন।

সব বাহিনী সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট করবে এবং তার নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হলেন কে এই মুজতবা খামেনি?

নির্বাচনী মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, থাকছে ৯ লাখ সদস্য

Update Time : ০৫:৪৫:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারাদেশে আজ থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনীকে ধাপে ধাপে মোতায়েন করা হচ্ছে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে নেমেছেন। একই সঙ্গে ইতোমধ্যে দায়িত্ব গ্রহণ করছেন ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। নির্বাচনের আগের দিন ১১ ফেব্রুয়ারি সকালে সারাদেশে প্রায় ১ লাখ ৫৭ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক পরিপত্রে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও ভিডিপি এবং কোস্টগার্ড মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন বাহিনীর মোট প্রায় ৯ লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকছেন। এর মধ্যে আনসার ও ভিডিপির প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ সদস্য ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া পুলিশের প্রায় দেড় লাখ, সশস্ত্র বাহিনীর এক লাখ এবং বিজিবির প্রায় ৩৫ হাজার সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

নির্বাচনকালীন শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সেনাবাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র‍্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করছে। জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছে বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন। উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে কোস্টগার্ড।

সূত্র জানায়, মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬–১৭ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭–১৮ জন পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। মেট্রোপলিটন এলাকায় সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত ২৫ জেলার নির্দিষ্ট ভোটকেন্দ্রগুলোতে ১৬–১৮ জন করে সদস্য নিয়োজিত থাকছেন। এসব সদস্য ভোটগ্রহণের দুই দিন আগে থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত দায়িত্বে থাকছেন।

সব বাহিনী সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট করবে এবং তার নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে।