Dhaka ১২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়ার ইচ্ছা সাহাবুদ্দিনের, নির্বাচন পর্যন্ত দায়িত্বে থাকতে চান

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৪১:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৭ Time View
রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জানিয়েছেন, তিনি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদ ছাড়তে চান। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ ইচ্ছার কথা জানান। বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আচরণে তিনি অপমানিত বোধ করছেন।
হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাহাবুদ্দিন বলেন, ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত তিনি দায়িত্বে থাকবেন। কারণ, সংবিধান তাকে এই অবস্থানে থাকার বাধ্যবাধকতা দিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমি যেতে আগ্রহী। আমি পদ থেকে সরে দাঁড়াতে চাই। তবে নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবো।’
বার্তা সংস্থার কাছে সাহাবুদ্দিন ড. ইউনূসকে নিয়ে অভিযোগ করেন বলে উল্লেখ করা হয়। বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান গত সাত মাসে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি। এমনকি সেপ্টেম্বরে দেশের দূতাবাস ও মিশনগুলো থেকে তার ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
রয়টার্স জানায়, রাষ্ট্রপতির ছবি সব দূতাবাস, কনস্যুলেট ও হাইকমিশন থেকে এক রাতে হঠাৎ তা সরিয়ে ফেলা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাহাবুদ্দিন। বলেন, এতে ভুল বার্তা গিয়েছিল সবার কাছে। যেন রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। এতে তিনি খুব অপমানিত বোধ করেছেন বলে ওই সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করা হয়।
সাহাবুদ্দিন জানান, তিনি এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে চিঠি লেখেন। তবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
৭৬ বছর বয়সী সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

তারেক রহমানকে কাতারের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়ার ইচ্ছা সাহাবুদ্দিনের, নির্বাচন পর্যন্ত দায়িত্বে থাকতে চান

Update Time : ০২:৪১:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জানিয়েছেন, তিনি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদ ছাড়তে চান। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ ইচ্ছার কথা জানান। বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আচরণে তিনি অপমানিত বোধ করছেন।
হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাহাবুদ্দিন বলেন, ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত তিনি দায়িত্বে থাকবেন। কারণ, সংবিধান তাকে এই অবস্থানে থাকার বাধ্যবাধকতা দিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমি যেতে আগ্রহী। আমি পদ থেকে সরে দাঁড়াতে চাই। তবে নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবো।’
বার্তা সংস্থার কাছে সাহাবুদ্দিন ড. ইউনূসকে নিয়ে অভিযোগ করেন বলে উল্লেখ করা হয়। বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান গত সাত মাসে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি। এমনকি সেপ্টেম্বরে দেশের দূতাবাস ও মিশনগুলো থেকে তার ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
রয়টার্স জানায়, রাষ্ট্রপতির ছবি সব দূতাবাস, কনস্যুলেট ও হাইকমিশন থেকে এক রাতে হঠাৎ তা সরিয়ে ফেলা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাহাবুদ্দিন। বলেন, এতে ভুল বার্তা গিয়েছিল সবার কাছে। যেন রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। এতে তিনি খুব অপমানিত বোধ করেছেন বলে ওই সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করা হয়।
সাহাবুদ্দিন জানান, তিনি এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে চিঠি লেখেন। তবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
৭৬ বছর বয়সী সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।